ধৈর্য ধরে পড়ুন আর জেনেনিন টিউব লাইট এর খুঁটিনাটি :
ফ্লুরোসেন্ট বাতি বা টিউব লাইটঃ
ফ্লুরোসেন্ট বাতি, টিউব লাইট, বা রড লাইট এক প্রকার বৈদ্যুতিক বাতি যা আলো উৎপন্ন করার জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পারদের বাষ্পকে উত্তেজিত করে। এই বাতি প্রধা
নত আলোর এক ধরনের কৃত্রিম উৎস
হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফ্লুরোসেন্ট বাতির ভেতরে থাকা পারদের বাষ্পকে বিদ্যুৎ
ব্যবহার করে উত্তেজিত করা হলে পারদের অণুগুলো স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের
অতিবেগুনি আলো উৎপন্ন করে যা প্রতিপ্রভ কণাকে আঘাত করে দৃশ্যমান আলো উৎপন্ন
করে।
টিউব লাইট এর গঠনঃ
টিউব লাইট এর গঠন খুবই সাধারন । এটি একটি কাচনল দ্বারা তৈরি । কাচনলের দুইপাশে দুইটি ধাতপ টুপি দ্বারা আটকানো থাকে । এটি electrodes পাস করে ।কাচনলটি নিম্ন চাপে আর্গন ও পারদের মিশ্রণ দ্বারা পূর্ণ থাকে । টিউব এর ভিতরের গা fluorescent phosphor দ্বারা লেপা থাকে । কাচনলের শেষে electrodes দ্বি - পিন ক্যাপ সাথে সংযুক্ত করা হয়।
বাতির ভেতরে বৈদ্যুতিক শক্তি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ফ্লুরোসেন্ট বা টিউব বাতিতে সবসময় একটি ব্যালাস্ট প্রয়োজন হয়, যা ইনক্যাডিসেন্ট বাতিতে প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ফ্লুরোসেন্ট বাতি বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইনক্যাডিসেন্ট বাতির চেয়ে অনেক বেশী উপযোগি। যদিও ফ্লুরোসেন্ট বাতির মূল্য সাধারণত বেশী, কিন্তু এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি খরচ করে বলে আদতে এটি বেশ সাশ্রয়ী। বড় আকারের ফ্লুরোসেন্ট বাতি বাণিজ্যিক ভবনে এবং শিক্ষায়তনে ব্যবহৃত হলেও ছোট আকারের কম্প্যাক্ট ফ্লুরোসেন্ট বাতি বাসা বাড়িতে ব্যবহার হচ্ছে। ইনক্যাডিসেন্ট বাতির চেয়ে ফ্লুরোসেন্ট বাতি কম শক্তি খরচ করে এবং বেশীদিন টেকে, কিন্তু এগুলো তুলনামূলকভাবে আকারে বড়, জটিল এবং এর প্রাথমিক খরচ বেশী।
বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এনার্জী সেভিং বাল্ব ও টিউব লাইট যা অল্প জায়গায় তৈরী করা হয়েছে এবং এর টিউব এর দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য স্পাইরাল/বাকানো করা ।
বাজারে সাধারণত দুই রকম ওয়াটের টিউব লাইট পাওয়া যায়---
৪০ ওয়াট -- ৪ ফুট লম্বা
২০ ওয়াট -- ২ ফুট লম্বা
(ভালো লাগলে দয়াকরে লাইক করুন ও সকলকে জানাতে শেয়ার করুন)
টিউব লাইট এর গঠনঃ
টিউব লাইট এর গঠন খুবই সাধারন । এটি একটি কাচনল দ্বারা তৈরি । কাচনলের দুইপাশে দুইটি ধাতপ টুপি দ্বারা আটকানো থাকে । এটি electrodes পাস করে ।কাচনলটি নিম্ন চাপে আর্গন ও পারদের মিশ্রণ দ্বারা পূর্ণ থাকে । টিউব এর ভিতরের গা fluorescent phosphor দ্বারা লেপা থাকে । কাচনলের শেষে electrodes দ্বি - পিন ক্যাপ সাথে সংযুক্ত করা হয়।
বাতির ভেতরে বৈদ্যুতিক শক্তি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ফ্লুরোসেন্ট বা টিউব বাতিতে সবসময় একটি ব্যালাস্ট প্রয়োজন হয়, যা ইনক্যাডিসেন্ট বাতিতে প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ফ্লুরোসেন্ট বাতি বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইনক্যাডিসেন্ট বাতির চেয়ে অনেক বেশী উপযোগি। যদিও ফ্লুরোসেন্ট বাতির মূল্য সাধারণত বেশী, কিন্তু এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি খরচ করে বলে আদতে এটি বেশ সাশ্রয়ী। বড় আকারের ফ্লুরোসেন্ট বাতি বাণিজ্যিক ভবনে এবং শিক্ষায়তনে ব্যবহৃত হলেও ছোট আকারের কম্প্যাক্ট ফ্লুরোসেন্ট বাতি বাসা বাড়িতে ব্যবহার হচ্ছে। ইনক্যাডিসেন্ট বাতির চেয়ে ফ্লুরোসেন্ট বাতি কম শক্তি খরচ করে এবং বেশীদিন টেকে, কিন্তু এগুলো তুলনামূলকভাবে আকারে বড়, জটিল এবং এর প্রাথমিক খরচ বেশী।
বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এনার্জী সেভিং বাল্ব ও টিউব লাইট যা অল্প জায়গায় তৈরী করা হয়েছে এবং এর টিউব এর দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য স্পাইরাল/বাকানো করা ।
বাজারে সাধারণত দুই রকম ওয়াটের টিউব লাইট পাওয়া যায়---
৪০ ওয়াট -- ৪ ফুট লম্বা
২০ ওয়াট -- ২ ফুট লম্বা
(ভালো লাগলে দয়াকরে লাইক করুন ও সকলকে জানাতে শেয়ার করুন)
By: EEE

vai onk shundor akta oviggota holo...thanks foe this share.
উত্তরমুছুন